কিভাবে চাকরির ইন্টারভিউ/ভাইভার উত্তর
দিবেন?
কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যাবসায়ের মাধ্যমে কয়েকটা পরীক্ষায় পর্যায়ক্রমে সাফল্যের
সাথে কৃতকার্য হয়েই কেবল ইন্টারভিউ/ভাইভাতে যাওয়ার সুযোগ পাওয়া যায়। তাই আমাদের
উচিৎ ইন্টারভিউতে সাফল্য দেখিয়ে চাকরি পাওয়ার শেষ পদক্ষেপও কৃতিত্বের সাথে উতরে
যাওয়া। কতগুলো ইন্টারভিউ দিয়েছি তা বড় কথা নয়, প্রত্যেক ইন্টারভিউতে যাওয়ার
আগে একটা ভীতি কাজ করে,কারণ এই সুযোগটা পেতে অনেক চড়াই-উতরাই পার হতে হয়। তাছাড়া,
এই ধাপটা পার হতে পারলেই কিন্তু চাকরি নিশ্চিত। তাই প্রত্যেক ইন্টারভিউ প্রার্থীরই
ইন্টারভিউ মোকাবেলা করার সময় একটা মানষিক চাপ থাকেই। ইন্টারভিউ বাংলায় বা ইংরেজীতে হতে
পারে।
এর কারণ হিসেবে প্রাথমিকভাবে আমরা
বলতে পারিঃ
১। কি ধরনের প্রশ্নের সম্মুখীন হতে
হবে তা জানা থাকে না,
২। সুদক্ষ্য ও কর্তাব্যক্তি যারা
ইন্টারভিউ নিচ্ছেন তাদের সম্মুখে নিজেকে কিভাবে যাহির করলে তারা সন্তুষ্ট হবেন
সেটা নিয়ে ভাবনা,

যাইহোক, এই সমস্ত স্বাভাবিক ইন্টারভিউ ভীতি দূর করা তেমন কঠিন বিষয় নয়।শুধু আপনাকে অতিরিক্ত অনিশ্চয়তা ও মানষিক চাপ থেকে নিজেকে মুক্ত রাখতে হবে। সেজন্য আপনাকে ইন্টারভিউর আগে প্রথমে প্লান করতে হবে এবং কিছু সহজ নিয়ম-কানুনের মাধ্যমে নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে। এখানে আমি আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও কিছু ধার নেয়া অভিজ্ঞতার আলোকে কিভাবে ইন্টারভিউ বোর্ডে প্রশ্ন কর্তাদের সন্তুষ্ট করবেন এবং কিভাবে সন্তোষজনক উত্তর দিবেন তা নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা করবো। এতে ভুল-ত্রুটি হলে আশা করি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। আশা করছি এই টিপসগুলো অভিজ্ঞ এবং অনভিজ্ঞ উভয়ের ক্ষেত্রেই উপকারী হবে।
ইন্টারভিঊতে
উত্তর প্রদানের সময় নিজেকে যতটা সম্ভব টেনশন ফ্রী রাখতে হবে। এজন্য আপনাকে ইন্টারভিউতে
যাওয়ার সময়ই নিজেকে মানষিকভাবে বুঝিয়ে নিতে হবে যে আপনি যেকোন ধরণের প্রশ্নের
উত্তর দিতে প্রস্তুত, যদি কোন প্রশ্নের উত্তর জানা নাও থাকে তাহলেও আপনি যে জানেন
না সেটা এমনভাবে উপস্থাপন করতে হবে যাতে প্রশ্নকর্তারা সন্তুষ্ট হন। আপনাকে
বিশ্বাস করতে হবে যে, পৃথিবীতে সবজান্তা বলতে কেউ নেই। প্রতিটি মানুষেরই কিছু কিছু
সীমাবদ্ধ্যতা থাকেই। তাই কোন প্রশ্নের উত্তর জানা না থাকলে লজ্জিত হয়ে,ঘাবড়ে গিয়ে
নার্ভাস হওয়ার কিছু নেই। বরং নিজেকে স্মার্টলী উপস্থাপন করার মানষিকতা আগে থেকেই
অর্জন করতে হবে।
কিন্তু এটাও মনে রাখতে হবে যে,
অতিরিক্ত কোন কিছুই ভালো নয়। সুতরাং অতি স্মার্ট হতে চেষ্টা করবেন না। যতটুকু
সম্ভব মার্জিত ভাষায় বিনয়ী হয়ে সব প্রশ্নের উত্তর দিতে চেষ্টা করবেন না। কখনোই
প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে চুপ করে থাকবেন না, বা সরাসরি জানি না বলবেন না। প্রশ্নের
উত্তরে অতিরিক্ত কথা না বলার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। মনে রাখবেন ইন্টারভিউতে
বেশিরভাগ প্রশ্ন করার ক্ষেত্রে একটা ধারাবাহিকতা থাকে। তাই উত্তর দেয়ার সময় সেই
ধারাবাহিকতা মাথায় রেখেই উত্তর প্রদান করবেন। এটা মনে প্রাণে বিশ্বাস করবেন যে
আপনি সম্পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়েই ইন্টারভিউতে অংশগ্রহন করছেন। তাই, ঘাবড়ানোর কিছুই
নেই। ইন্টারভিউতে আত্মবিশ্বাসটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
প্রায় সকল ইন্টারভিউতে কিছু কমন
প্রশ্ন থাকে, এখন আমরা সেগুলো নিয়ে আলোচনা করবো।
আপনার সম্পর্কে বলুন।…..
প্রশ্নকর্তারা চাইবে আপনাকে দিয়ে
আপনার সম্পর্কে বিস্তারিত বলাতে। এতে তারা আপনার সম্পর্কে একটা ধারণা সহজেই নিতে
পারবে। এবং সে অনুযায়ী তারা আপনাকে প্রশ্ন করতে পারে। তাই আপনার নিজের সম্পর্কে
বলার সময় আপনার নাম,গ্রাম,জেলা,শিক্ষাগত যোগ্যতা, চাকরির অভিজ্ঞতা (যদি থাকে), আপনার
দৃষ্টিভঙ্গী এবং লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ইত্যাদী বিষয়গুলো সহজভাবে ও সংক্ষিপ্তাকারে
উপস্থাপন করুন। অতিরিক্ত কিছু বলা মানেই আপনার সম্পর্কে খারাপ ধারণা পোষন করা। আপনার
ব্যক্তিগত শখ, পছন্দ-অপছন্দ এসব এড়িয়ে যাওয়াই উত্তম। এধরণের প্রশ্নের উত্তর শেষ
করবেন আপনি যে পদের জন্য ইন্টারভিউ দিচ্ছেন সে পদ সম্পর্কিত আপনার সর্বোত্তম
দিকটিকে ফোকাস করে।
আপনার ভালো দিকগুলো বলুন। অথবা আপনার
কর্মদক্ষতা সম্পর্কে বলুন।
আপনি নিশ্চয় আপনার বায়োডাটা বা কভার
লেটারে আপনার দক্ষতা এবং সীমাবদ্ধ্যতা উল্লেখ করেছেন। তাই এই ধরণের প্রশ্নের উত্তর
দেয়ার সময় আপনার বায়োডাটাতে উল্লেখিত সেইসব বিষয়গুলো পূণরাবৃত্তি করার চেষ্টা
করবেন। তবে উত্তর দেয়ার সময় কিছু উদাহরণ দিয়ে উত্তরটি গ্রহণযোগ্য করে তোলার চেষ্টা
করবেন। কিন্তু অবশ্যই মনে রাখবেন আপনার উত্তর দেয়ার সময় নিজেকে বিনয়ী ভাবে
উপস্থাপন করতে হবে। সবজান্তাসুলভ কোন উত্তর দিবেন না।
উত্তরটা এমন হতে পারেঃ
- আমি বলেছি (সিভি তে) যে আমি সৎ, নির্ভরযোগ্য এবং নৈতিকতাসম্পন্ন
- আমি সবসময়ই সময়সচেতন, যদি কোন কাজ আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় তবে সেটা আমি আন্তরিকতার সাথে যথাসময়ে সম্পন্ন করি।
- অল্প সময়ে আমি কোন কিছু শিখে নিতে পারি বা আয়ত্ত করতে পারি,
- মানুষের সাথে সহজেই মিশতে পারি, সহজেই যে কোন মানুষকে মুগ্ধ করতে পারি,
- পরিবেশের সাথে নিজেকে সহজে খাপ খাইয়ে নিতে পারি, কাজের চাপ সামলানোর ক্ষমতা আছে
- আমার ভুল-ত্রুটি থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেকে সহজে সংশোধন করে নিতে পারি ইত্যাদী।
আপনার কি কোন সীমাবদ্ধ্যতা বা
দূর্বলতা আছে বলে আপনি মনে করেন?
আপনি উল্লেখ করবেন যে মানুষ মাত্রই
ভুল করতে পারে। প্রতিটি মানুষেরই সীমাবদ্ধ্যতা থাকে। মানুষ হিসেবে আমারও কিছু
সীমাবদ্ধ্যতা থাকাটা স্বাভাবিক। আপনার কিছু সীমাবদ্ধ্যতা উল্লেখ করবেন। সাথে সাথে
কিছু সমাধান সুলভ যুক্তি উপস্থাপন করবেন। যাতে প্রশ্নকর্তারা বুঝতে পারে যে আপনি
আপনার সীমাবদ্ধ্যতাগুলোকে কাটিয়ে উঠতে বদ্ধপরিকর। এক্ষেত্রে অবশ্যই বলবেন যে আপনি
আপনার ভুল-ত্রুটি থেকে শিক্ষা নিয়ে ভুলের পূণরাবৃত্তি হতে দেন না।
এভাবে বলতে পারেনঃ
- অনেক সময় আমাকে বলা হয় যে আমি জঠিল প্রজেক্ট বা কাজের ক্ষেত্রে আমার সমকর্মীদের চেয়ে বেশি সময় নিই। কিন্তু এটা হয় কারণ আমি জঠিল বিষয়গুলো অত্যন্ত গভীরভাবে পর্যালোচনা করেই নির্ভুলভাবে সম্পন্ন করি।যাতে কাজটি সর্বোচ্চ মানের।
- আমার এম.এস.পাওয়ারপয়েন্ট স্কিল একটু দূর্বল।তাই আমি একটি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে সান্ধ্যকালীন কোর্সে ভর্তি হয়েছি।
- মাঝে মাঝে আমার অতি বন্ধুত্বসুলভ আচরণকে দোষারোপ করা হয়ে থাকে।
কখনোই বলবেন না যে আপনি কাজের প্রতি
উদাসীন।
আপনি আপনার শেষের চাকরিটা কেন ছাড়লেন
বা ছাড়তে চান?
এধরনের প্রশ্নে কখনোই আপনার বিগত
চাকরিদাতার নেগেটিভ সমালোচনা করবেন না।
এভাবে বলতে পারেনঃ
- ওই চাকরীতে আমার ক্যারিয়ার গড়ার যথাযত সুযোগ ছিল না বলেই মনে হয়,
- আপনার কোম্পানীতে চাকরীর বিজ্ঞপ্তি দেখে বুঝতে পারলাম এখানে চাকরী করলেই আমার ক্যারিয়ার গড়তে পারবো। এখানে আমার মেধা,মনন ও যোগ্যতার যথাযত বিকাশ হবে বলেই আমার বিশ্বাস।
- আমি আসলে আমার মেধার যথাযত ব্যবহার করতে আগ্রহী,
- আমি এমন একটি চাকরীর সন্ধ্যান করছি যেখানে থাকবে অধিক দায়-দায়ীত্ব। অথবা,
- তখন আমার পরিবারকে অনেক সময় দিতে হতো,তাই ওই চাকরীটা ছাড়তে অনেকটা বাধ্য হই। কিন্তু এখন আমি সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
আপনি আমাদের কোম্পানীতে কেন চাকরী
করতে আগ্রহী, বা এই পদে কেন আবেদন করেছেন ?
এধরনের প্রশ্নের উত্তরে বলতে পারেন
যে, আপনি যথাযত বিবেচনার মাধ্যমে এই কোম্পানীকে আপনার ক্যারীয়ার গড়ার সোপান হিসেবে
বিশ্বাস করেন। এজন্য সংক্ষেপে নিজস্ব কিছু যুক্তি উপস্থাপন করেন। এক্ষেত্রে
কোম্পানীটা সম্পর্কে ভালোভাবে জানা দরকার। এবং কিছু পয়েন্ট নোট করে নিলে উত্তর দিতে
সুবিধা হয়।
এভাবে বলতে পারেনঃ
- আমার বিগত চাকরীতে প্রমোশনের খুব নগন্য সুযোগ ছিল। তাই আমি এমন একটি কোম্পানীর সন্ধ্যান করছিলাম যেখানে আমার মেধা,শ্রম ও সততা দিয়ে যথাযত যোগ্যতার ভিত্তিতে অল্প সময়ে প্রমোশন পেতে পারি। আমি বিশ্বাস করি এখানে চাকরীর সুযোগ পেলে আমি আমার মেধার বিকাশ ঘটানোর যথেষ্ট সুযোগ পাব, কারণ এই কোম্পানী দেশের একটি সুবৃহৎ ও স্বনামধন্য কোম্পানী এতে কোন সন্দেহ নেই।
- আমি এমন কোম্পনীতে কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করি যেখানে আমি সত্যিই ভিন্নতা সৃষ্টি করার সুযোগ পাব।
- কোম্পানীর কয়েকটা পজিটিভ দিক উল্লেখ করুন,
- আপনার কোম্পানী সম্পর্কে জানতে গিয়ে বুঝতে পারলাম যে এই কোম্পনীর মিশন,ভিশন এবং কাজের পরিবেশ অত্যন্ত মনোরম যা আমি একান্তভাবে পছন্দ করি। আমি বিশ্বাস করি এখানে কাজের মাধ্যমে আমি আর্থিক,এবং মানষিকভাবে সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারবো।
- আমি মনে করি আপনার কোম্পানীর শুন্য পদের জন্য আমার অভিজ্ঞতা, দক্ষ্যতা, এবং যোগ্যতা যথেষ্ট। সুতরাং এখানে কাজের সুযোগ পেলে আমি আপনার কোম্পানীর সুনাম অর্জনে যথেষ্ট ভূমিকা রাখতে পারবো এবং নিজের ক্যারীয়ার গঠনের নিশ্চিত একটা প্লাটফরম পাবো।
আপনার
সহকর্মীরা আপনার সম্পর্কে কি মন্তব্য করেন?
এক্ষেত্রে
পজিটিভ উত্তর দিন, কিন্তু অতিরঞ্জিত হয় এমন কিছু বলবেন না। বলতে পারেন, আপনার
সহকর্মীরা আপনাকে আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করেন। কারণ আপনিও যেকোন প্রয়োজনে আপনার
সহকর্মীদের পাশে দাড়ান।
আগামী চার বছরে
আপনি নিজেকে কোন অবস্থায় দেখতে চান?
এধরনের প্রশ্নে
কখনো বলবেন না যে আপনি আগামী চার বছরে নিজের একটা এপার্টমেন্ট,দামী গাড়ি ইত্যাদি
চান। অর্থাৎ ব্যক্তিগত চাওয়া পাওয়ার কথা এখানে এড়িয়ে যাবেন। প্রশ্নকর্তা এখানে
জানতে চান শুধুই আপনার ক্যারীয়ার সম্পর্কে।
অতি উৎসাহী হয়ে
অতিরিক্ত লক্ষ্য উদ্দেশ্যও বলবেন না। যেমন, আপনি আগামী চার বছরে এই কোম্পানীর হেড
হতে চান, এমন কথা বলবেন না। এতে অনেক প্রশ্নকর্তা নিজের অবস্থান নিয়ে শঙ্কিত হতে
পারেন।ফলে আপনার প্রতি নির্দয় হতে পারেন। তাই, এক্ষেত্রে আপনার লক্ষ্য-উদ্দেশ্য
বলবেন বুদ্ধিমত্ত্বার সাথে।
বলতে পারেন,
- আগামী চার বছরে আমার মেধা ও দক্ষতাকে পরিপূর্ণ কাজে লাগিয়ে আমার কাজের ক্ষেত্রে আমি একজন দক্ষ্য কর্মকর্তা হতে চেষ্টা করবো। কোম্পানী এবং কোম্পানীর ব্যবসার প্রসারে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবো এই আমার বিশ্বাস।
কর্মক্ষেত্রে
বা আপনার ব্যক্তি জীবনে আপনার অর্জনন সম্পর্কে বলুন।
আপনার জীবনের
সবচেয়ে বড় ভুল কি?
এমন একটি জঠিল
সমস্যার কথা বলুন যা আপনি সমাধান করেছেন।
আপনি আপনার
সহকর্মীদের সাথে কিভাবে মিশতে পারেন?
আপনার বর্তমান
চাকরিতে কোন বিষয়গুলো আপনি বেশি পছন্দ করেন?
আপনার বর্তমান
চাকরিতে কোন বিষয়গুলো আপনি অপছন্দ করেন?
আপনি আপনার
চাকরী জীবনে পাঁচবার চাকরি বদল করেছেন। আমরা আপনাকে কেন বিশ্বাস করবো যে আপনি
আমাদের এখানে স্থায়ী হবেন?
নিয়মিত ভিজিট করুন। লিখা
কপি-পেষ্ট করবেন না। বিশেষ প্রয়োজনে লিখার মূল উৎস উল্লেখ করবেন প্লিজ।
এখানে অনেক ভুলত্রুটি থাকতে পারে। যদি কোন প্রকার ভুল আপনার চোখে পড়ে,তবে দয়া করে নিচে কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন। ইন্টারভিউ বিষয়ে আপনার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাও এখানে শেয়ার করতে পারেন। আপনার লিখাও এখানে প্রকাশ করা হবে।
ধন্যবাদ।
উৎসঃ ইন্টারনেট
ও ইংরেজী কলাম থেকে অনুদিত।
No comments:
Post a Comment